চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বৈঠকের আগে চার বিষয়ে ‘লাল রেখা’ টেনে দিয়েছে বেইজিং। যুক্তরাষ্ট্রে চীনের দূতাবাসের টেনে দেওয়া এসব ‘লাল রেখার’ মধ্যে তাইওয়ান প্রসঙ্গ এবং চীনের রাজনৈতিক ব্যবস্থার কথাও রয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে চীনের দূতাবাস লিখেছে, “চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের চারটি ‘লাল রেখ ‘ কোনোভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যাবে না।
পোস্টে একটি ফটোকার্ড রয়েছে, যেখানে চারটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ‘তাইওয়ান প্রশ্ন’, ‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার, উন্নয়নের পথ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা’ এবং ‘চীনের উন্নয়ন অধিকার’।
আরেকটি পোস্টে চীন দূতাবাস লিখেছে, বেইজিং ও ওয়াশিংটনের কৌশলগত, গঠনমূলক ও স্থিতিশীল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক গড়ে তোলার পথ অনুসন্ধান করা উচিত।
পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতাই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একসঙ্গে থাকার সঠিক উপায়।
এর আগে ২০২৪ সালে ট্রাম্পের পূর্বসূরি জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রথমবারের মতো এই চার ‘লাল রেখা’ টেনে দিয়েছিলেন শি।
প্রায় এক দশকের মধ্যে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন সফর করছেন। বুধবার বেইজিংয়ে পা রাখার পর লাল গালিচা দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয় ট্রাম্পকে।
যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্তারা এই সফরে ট্রাম্পের সঙ্গী হয়েছেন। এই তালিকায় অ্যাপলের টিম কুক, টেসলা ও স্পেসএক্সের ইলন মাস্ক এবং ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্কের মতো ব্যবসায়ীরাও আছেন।
সফরসূচি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকালে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ট্রাম্পের এই সফর হওয়ার কথা ছিল গেল মাসে। কিন্তু ইরান যুদ্ধের কারণে সফর পিছিয়ে দেন ট্রাম্প।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের বর্তমান টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের নেতার বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বাণিজ্য শুল্ক, প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা, তাইওয়ান এবং বিশ্বে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দুই নেতার আলোচনায় আন্তর্জাতিক মহল দৃষ্টি রাখবে।
সফরের আগে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ট্রাম্প লিখেছিলেন, “আমি প্রেসিডেন্ট শিকে (জিনপিং) অনুরোধ করব, যেন তিনি চীনের বাজার ‘উন্মুক্ত’ করে দেন, যেন এই অসাধারণ মেধাবী মানুষগুলো তাদের জাদু দেখাতে পারেন, এটিই হবে আমার প্রথম অনুরোধ।
https://slotbet.online/