মৌসুমী নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে অভ্যন্তরীন উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত তিনদিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি এবং মুষলধারে বৃষ্টিপাত বিস্তারিত ...
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর আকাশ ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে
বর্ষা মৌসুম শুরু হতেই বরিশালসহ বরিশালজুড়ে দেখা দিয়েছে নদীভাঙনের আতঙ্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, নদীতীরবর্তী এলাকা থেকে মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি, উজানের পানির চাপ এবং অপরিকল্পিত নদীশাসনের কারণে প্রতিবছরই
বৈরী আবহাওয়া এবং আমবশ্যার জোয়ারের প্রভাবে সাগর উত্তাল হওয়ার হাজার হাজার জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ করে উপকূলে ফিরতে শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার থেকে শত শত ট্রলারের জেলেরা মহিপুর-আলীপুর আড়ৎঘাটে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে।এসব
মেঘের মাদল বাজিয়ে অবসান হলো জ্যৈষ্ঠের রুদ্ররূপের। তপ্ত ধরণীর বুক চিরে অবশেষে নামলো আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টি। আর সেই বৃষ্টিতে কোলাহল ভুলে আনন্দে মেতেছে মানুষ। তীব্র খরা আর হাঁসফাঁস করা দাবদাহ
দেশে আবারো সক্রিয় হতে যাচ্ছে একটি শক্তিশালী বৃষ্টিবলয়। ১৮ জুন থেকে শুরু হয়ে টানা প্রায় ১২ দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে এই বৃষ্টিবলয়। এর প্রভাবে দেশের চার বিভাগ-রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট
মৃদু তাপপ্রবাহে পুড়ছে পুরো বরিশাল। চলমান তাপদাহে থমকে গেছে দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান নগরীর স্বাভাবিক জনজীবন। এ মাসে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে গিয়ে ঠেকতে পারে বলে জানায় আবহাওয়া অফিস। রোববার
যত্রতত্র বজ্রপাতে জীবনহানির ঘটনা ঘটছে। আকাশে বিজলী চমকালেই প্রাণনাশের ভয়ে মানুষ অত্যন্ত বিচলিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ছুটাছুটি করছে। এটা যে শুধু মানুষের উপরই পড়ছে তা নয়, গরু, মহিষ, গাছপালা