দুপুরের পর দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ থেকে কুয়াশা সরে গিয়ে রোদের দেখা মিলেছে। তবে বগুড়া ও গাইবান্ধাসহ উত্তরাঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় কুয়াশার চাদর রয়ে গেছে। তবে মধ্যরাত থেকে আগামীকাল বুধবার সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কোথাও কোথাও এ কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময়ে ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। সংস্থাটি বলছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা টেকনাফে ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রাজশাহীতে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একই সঙ্গে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার প্রভাবে দেশজুড়ে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে।
https://slotbet.online/