আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থপনার উপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সিস্টেম আধুনিক না হলে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। পরিবেশ সুরক্ষা ও পরিকল্পিত নগরী গড়তে উন্নত বিশ্বের দেশগুলো আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশেও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে হলে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির কোন বিকল্প নেই।
মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর সার্কিট হাউজের সম্মেলনকক্ষে ‘বরিশাল নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থপনা’ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে মানুষের আচরণগত পরিবর্তন আনতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থপনার ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কোথাও সিস্টেমেটিক পদ্ধতি অবলম্বন করা হয় না। অনেক জায়গায় দেখা যায় নদীতে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার কারণে পানি দূষণের মাধ্যমে নদীর পরিবেশ নানাভাবে দূষিত হয়। এসব দূষিত নদীর মাছ খাওয়ার মাধ্যমে মানব শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে যা ক্যান্সারের মতো মরণঘাতি রোগের কারণ।
তিনি আরও বলেন, আধুনিক বিশ্বে বর্জ্য এখন আর আবর্জনা নয়, বরং সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে একে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা হচ্ছে। বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করার মূল চাবিকাঠি হলো সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা। সঠিক ব্যবস্থপনা করতে পারলে পরিবেশ দূষণ কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব। বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে জৈব ও অজৈব বর্জ্য আলাদা করা জরুরি। পচনশীল বা জৈব বর্জ্য থেকে উন্নত মানের জৈব সার তৈরি করা যায় যা কৃষি উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
জেলা প্রশাসক মোঃ খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। এসময় বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্যর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল বারীসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
https://slotbet.online/