ইরানে চলমান ব্যাপক বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরান রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) । শনিবার (১০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে তারা নিরাপত্তা ইস্যুকে ‘রেড লাইন’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেনাবাহিনী বলেছে, তারা রাষ্ট্রীয় অবকাঠামো ও সরকারি সম্পদ রক্ষা করবে। খবর রয়টার্স।
এদিন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দেশের নিরাপত্তা ও ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের অর্জন রক্ষা করা কোনোভাবেই আপসের বিষয় নয়। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ধারাবাহিকতা ‘গ্রহণযোগ্য নয়’ বলেও উল্লেখ করা হয়।
এর আগে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্বকে নতুন করে সতর্ক করেন। তবে শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাহসী জনগণের পাশে রয়েছে।’
গত দুই সপ্তাহ ধরে ইরানের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। শুরুতে তীব্র মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হলেও দ্রুত তা রাজনৈতিক রূপ নেয়। বিক্ষোভকারীরা ধর্মীয় শাসনের অবসান দাবি করছেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, তেহরানের পশ্চিমে কারাজ শহরে একটি পৌর ভবনে আগুন দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার জন্য ‘দাঙ্গাকারীদের’ দায়ী করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিরাজ, কোম ও হামেদান শহরে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজার দৃশ্য প্রচার করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্যমতে, বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৫ জন নিহত হয়েছেন এবং প্রায় ২ হাজার ৫০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে সরকার বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এ বিক্ষোভ উসকে দিচ্ছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’ গত কয়েক রাতে সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকজন নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন এবং সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
https://slotbet.online/