পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থার একমাত্র মাধ্যম রহমতপুর খাল (জীনখাল) দখলমুক্ত করতে দ্বিতীয় দফার উচ্ছেদ অভিযান করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১৮ মে) সকাল ১০টার দিকে রহমতপুর কালভার্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে এ অভিযান শুরু হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে সহযোগিতা করছে কলাপাড়া থানা পুলিশ, পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, পল্লী বিদ্যুৎ প্রতিনিধি, ব্যাটালিয়ন ও আনসার সদস্যরা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে খালের দুই পাড়ে গড়ে ওঠা সব ধরনের পাকা ও কাঁচা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এছাড়া র্্যাডার সংলগ্ন এলাকায় খালের ভেতরে নির্মিত স্থাপনাগুলোও ভেঙে ফেলা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কলাপাড়া পৌর প্রশাসক মো কাউসার হামিদ জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এর আগে মাইকিং করে অবৈধ দখলদারদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা সরিয়ে নিতে বলা হয়েছিল। অনেকেই তা সরিয়ে নিয়েছেন, তবে যারা সরাননি তাদের স্থাপনা প্রশাসন ভেঙে দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শুধু কাঁচা স্থাপনা নয়, খালের সীমানা নির্ধারণ করে রেড মার্কিং করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপনা সরিয়ে না নিলে স্ক্যাভেটর মেশিন দিয়ে তা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। খালের মধ্যে নির্মিত একটি মাদরাসাও নিজ উদ্যোগে সরিয়ে না নিলে সেটিও উচ্ছেদ করা হবে।
“রহমতপুর খাল দখলমুক্ত হলে পৌর শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি শহরের পরিবেশ ও সৌন্দর্যও ফিরে আসবে। খালটি খননেরও প্রস্তাবনা রয়েছে। বাস্তবায়ন হলে এটি আরও দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠবে।”
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৪ মে) প্রথম দফায় দিনব্যাপী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিন দিনের বিরতির পর সোমবার আবারও অভিযান শুরু হয়েছে। প্রয়োজন হলে ঈদের আগে বা পরে আবারো অভিযান পরিচালনা করা হবে।