মৌসুমী নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে অভ্যন্তরীন উড়িষ্যা ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ঝাড়খন্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত তিনদিন ধরে গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি এবং মুষলধারে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে।
গতকাল সকাল ছয়টায় থেকে আজ সকাল ছয়টা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৬২.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। এদিকে উপকূলের আকাশ এখনও ঘন মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। নদ-নদীর পানির উচ্চতা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিক্ষুব্ধ রয়েছে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর। বড় বড় ঢেউ তীরে আছড়ে পড়ছে।
আবহাওয়া অফিসের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, নিম্নচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মাছধরা নৌকা ও ট্রলার সমূহকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির সদস্য,আল্লাহ ভরসা মৎস্য আড়ৎ সত্বাধিকারী মো তানভীর আহম্মেদ লুনা আকন জানান,একদিকে সাগরে মাছ পাচ্ছেনা জেলেরা অপরদিকে আবহাওয়া খারাপ থাকায় একসপ্তাহ যাবত জেলেরা সাগরে যেতে পারছেনা।প্রায় ট্রলারই মহিপুর শিব্বারিয়া পোতাশ্রয় আশ্রয় নিয়েছে।
এ রকম আরো সংবাদ...