উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে রবিবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে মুষলধারে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর বেশ উত্তাল রয়েছে। বড় বড় ঢেউ তীড়ে আছড়ে পড়ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে নদ-নদীর পানির উচ্চতা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। সমুদ্র বন্দর সমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই পটুয়াখালীর পায়রা, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার ও মোংলা সমুদ্র বন্দরকে ০৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকতে দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছধরা ট্রলার সমূহকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
এদিকে বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শংকা করছে আবহাওয়া অফিস। দুপুর একটা পর্যন্ত এসব নদী বন্দর সমূহকে ০১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
মহিপুর গাজী ফিসের সত্বাধিকারী মো মজনু গাজী জানান,সাগরে মাছধরা ট্রলারের বেশিরভাগ ট্রলারই কিনারে ফিরে আসছে।শিব্বারিয়া পোতাশ্রয় নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে।
এ রকম আরো সংবাদ...