• বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক! হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে গোলাম নবী আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বরিশালে স্থানীয় পশুতেই পূরণ হবে কোরবানির চাহিদা

স্টাফ রিপোর্টার / ৮৮ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশাল বিভাগের খামারিরা।

খামারগুলোয় দেশী গরুর পাশাপাশি রয়েছে শাহিওয়াল, দেশাল, আরসিসি, নেপাল, ফিজিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান ও পাকিস্তানি শাহিওয়াল জাতের বিক্রয়যোগ্য পশু। এরই মধ্যে কোরবানির পশু আগাম বিক্রি শুরু করেছেন তারা। আবার অনেকে হাট শুরুর অপেক্ষা করছেন। চাহিদার চেয়ে কোরবানিযোগ্য পশু উদ্বৃত্ত থাকায় কোনো সংকট ছাড়াই স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় গতবারের চেয়ে এবার বেশি দামে কোরবানির পশু কিনতে হতে পারে।
বরিশাল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কার্যালয়ের তথ্যমতে, বিভাগের ছয় জেলায় ছোট-বড় ৩ হাজার ৯১৫ জন খামারির কাছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৫টি কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে। এর মধ্যে ষাঁড় ২ লাখ ৮৩টি, বলদ ৬৮ হাজার ২৭৮টি, মহিষ ৯৮ হাজার পাঁচটি, ছাগল ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯০টি এবং অন্যান্য রয়েছে ১৫০টি। এ বছর সম্ভাব্য চাহিদা ৪ লাখ ৭৮৩টি। হিসাব অনুযায়ী চাহিদার চেয়ে ছয় জেলায় ৬৭ হাজার ৬৬২টি কোরবানিযোগ্য পশু বেশি থাকবে।

ব্যবসায়ী ও খামারিরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় মজুদ বেশি থাকায় এবার কোনো সংকট ছাড়াই স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। ভারতীয় গরু না এলে কোরবানির বাজার স্থানীয় গরুর দখলে থাকবে। তবে কোরবানির পশুর দামে গোখাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও কমে যাওয়ার প্রভাব পড়তে পারে।এবারে এ অঞ্চলে স্থানীয় পশু দিয়ে কোরবানি সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মাহফুজুল হক। তিনি বলেন, ‘‌খামারে একসঙ্গে অনেক পশু পালনের পাশাপাশি বাড়িতে ছোট আকারে এক থেকে দুটি গরু কিংবা ছাগল পালন করেন অনেকে। ফলে এ অঞ্চলে হিসেবের থেকেও বেশি কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে। তবে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হবে না, যাতে বিদেশী গরুর প্রয়োজন হবে।

এদিকে কোরবানির আগে যাতে হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিক বা কৃত্রিম কোনো উপায়ে পশুকে মোটা-তাজা করা না হয় সেজন্য খামারে নিয়মিত নজরদারি করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সেই সঙ্গে খুরা ও লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত পশু যাতে হাটে আনা না হয়, সেজন্য পশু চিকিৎসকসহ মনিটরিং টিম কাজ করবে।
স্থানীয় তথ্য মতে, এ বছর বিভাগের ছয় জেলায় ৩০৬টি কোরবানির পশুর হাট বসবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি হাটগুলোয় কোরবানিযোগ্য পশুর সুস্থতা পরীক্ষা করবে ১২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/