• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক!

চৌমাথা এলাকার বিতর্কিত শাহান আরা পার্ক উচ্ছেদ শুরু

স্টাফ রিপোর্টার / ৭৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের বরিশাল নগরীর অন্যতম জনগুরুত্বপূর্ণ চৌমাথা সিএন্ডবি রোড এলাকায় রাস্তার মাঝখানে স্থাপিত বিতর্কিত ‘শাহান আরা পার্ক’-এর অবশিষ্ট অংশ অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন। বুধবার (১৩ মে) সকাল ১১টায় বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন-এর উপস্থিতিতে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

উচ্ছেদ কার্যক্রম চলাকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী, সাবেক কাউন্সিলর শাহ আমিনুল ইসলাম আমিন, হাবিবুর রহমান টিপু, আ.ন.ম সাইফুল আহসান আজিম ও ইউনূস হোসেন। এছাড়াও মহানগর বিএনপি নেতা সাজ্জাদ হোসেন, আহমেদ জ্যাকি অনুপম, নওশাদ হোসেন নান্টু, মাজহারুল ইসলাম জাহান-সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার মাঝখানে থাকা পার্কটির কারণে সিএন্ডবি রোড এলাকায় তীব্র যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছিল বলে অভিযোগ ছিল স্থানীয়দের। গুরুত্বপূর্ণ এই চৌমাথা দিয়ে প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করায় যান চলাচলে বিঘ্ন তৈরি হচ্ছিল বলেও জানান তারা।

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা এই পার্কটি অপসারনে নগর কতৃপক্ষকে সাধুবাদ জানান।

স্থানীয় বািসিন্দা মৃধা মাসুম বলেন, পার্কটির অবশিষ্ট অংশ অপসারণ সম্পন্ন হলে চৌমাথা এলাকায় যান চলাচল আরও স্বাভাবিক ও নিরাপদ হবে এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

২০২২ সালে তৎকালীন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর উদ্যোগে নির্মিত এই পার্কটি বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হয়েছে এবং পরবর্তীতে উচ্ছেদের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

আট কোটি টাকা ব্যয়ে অপরিকল্পিতভাবে পার্কটি করে অর্থ অপচয় করা হয়েছে। সড়কের এই অংশ সড়ক ও জনপথের (সওজ) আওতায় থাকলেও সংস্থাটির অনুমতি নেওয়া হয়নি। ব্যস্ততম মহাসড়কের পাশে পার্ক নির্মাণের যৌক্তিকতা নিয়ে শুরু থেকে প্রশ্ন তুলেছেন নগরবাসী। তাতে কোনও কর্ণপাত করেননি সাদিক আব্দুল্লাহ।

এমনকি পার্কের সঙ্গে হোটেলের জন্য হাতেম আলী কলেজের জমি দখল করে দোতলা গোল চত্বর নির্মাণ করা হয়। এসবের জন্য সওজ কিংবা ট্রাফিক বিভাগের অনুমতি নেওয়া হয়নি। সড়কের সাড়ে ৪০০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৩০ ফুট প্রস্থের জায়গা দখল করে আট কোটি টাকায় এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ঠিকাদার ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না।

তবে শুরু থেকে নগরবাসী এবং সুশীল সমাজ এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালেও সাদিক আব্দুল্লাহ কারও কথা শোনেননি। ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির মালিকরা আদালতের দ্বারস্থ হলে পার্ক নির্মাণের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। তাও মানেননি সাদিক।
যারা অপরিকল্পিতভাবে পার্কটি করে আট কোটি টাকা অপচয় করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা জানতে চাইলে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রেজাউল বারী বলেন, নগর প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলে এবিষয়ে জানাতে পারবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/