• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক!

ঝুকি পূর্ন ভবনে চলছে বিসিসির কার্যক্রম

স্টাফ রিপোর্টার / ৮৬ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

তিন যুগের পুরনো ঝুকি পূর্ণ পৌর ভবনে চলছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রম। দ্বিতল পৌর ভবনের ওপর আরও একতলা সম্প্রসারণ করে চলছে এখানকার দাপ্তরিক কার্যক্রম। ভবনটিতে নকশাবহির্ভূতভাবে উপরে তৃতীয় তলা নির্মাণ করা হয়েছে। যেখানে বর্তমানে কক্ষের সংখ্যা বেড়ে ৭০ টিতে দাঁড়িয়েছে। ফলে ৪১ বছর আগের এই ভবনে ঝুঁকি নিয়ে অফিস করছেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরই মধ্যে তৃতীয় তলার বিভিন্ন কক্ষের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়তে শুরু করেছে। নগর ভবনের দোতলায় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাথার ওপর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে মঙ্গলবার। গত সপ্তাহেও একই ঘটনা ঘটে ভবনটির তৃতীয় তলায়। বিসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পুরো নগর ভবনই ঝুঁকিপূর্ণ। এভাবে পলেস্তারা খসে পড়া অব্যাহত থাকলে তাঁরা অন্য কোথাও বাসা ভাড়া করে সেখানে কার্যক্রম চালানোর চিন্তা করছেন। মঙ্গলবার দুপুরে নগর ভবনের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর দপ্তরে পলেস্তারা খসে পড়েছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, ভবনের দরজা-জানালাও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। বিসিসির যান্ত্রিক শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম বলেন, সকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। প্রতিনিয়ত এমনটা হলে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নগরীর ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোডে ৪৬ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত স্থাপিত পৌর ভবনটিতে কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮৫ সালে। ২০০২ সালে পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হয়। এরপর সেই ভবন নানা সময়ে সম্প্রসারিত করে ৪১ বছর দাপ্তরিক কাজ চলছে। কিন্তু সিটি করপোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর জনবল ও সেবা বাড়লেও বাড়েনি নতুন ভবন। বিসিসির নগর পরিকল্পনাবিদ সাইদুর রহমান বলেন, ভবনটির ধারণক্ষমতা ছিল দোতলা পর্যন্ত। তৃতীয় তলা করার মাধ্যমে এটি ওভারলোড ( অতিরিক্ত ভারী ) করে ফেলায় তা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো : আবুল বাসার বলেন, জরাজীর্ণ ভবনের কোনো কাঠামোগত নকশা খুঁজে পাওয়া যায়নি। মূল কলামের ফাটলগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। ৪৫০ জনবলের জন্য নির্মিত এই ভবনে এখন ১ হাজার ৬০০ কর্মকর্তা-কর্মচারী কাজ করছেন। তার ওপর প্রতিদিন শত শত সেবাপ্রত্যাশী আসেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রেজাউল বারী বলেন, এখন পর্যন্ত নগর ভবনের যে অবস্থা, তাতে মনে হচ্ছে ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি কমিটি করে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে আমরা নতুন ভবন করার জন্য জায়গা খুঁজছি। রেজাউল বারী আরও বলেন, বরিশাল নগর ভবনের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ করার জন্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। সেটি সবুজ তালিকায় রয়েছে। যেসব শাখার কক্ষগুলো অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে, সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। দরকার হলে ভবন ভাড়া নেওয়া হবে।
বিসিসির প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, নগর ভবনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। নথুল্লাবাদে ১৫ তলাবিশিষ্ট একটি নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা ও নকশা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি, দ্রুত প্রকল্পটি অনুমোদন হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/