• শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন

কুয়াকাটায় চাল না পেয়ে কেঁদে বাড়ি ফিরেছেন জেলেরা

শেখ মোহাম্মাদ ইসহাক, কুয়াকাটা / ৩৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

কুয়াকাটা পৌরসভা এলাকায় ২১ এপ্রিল সোমবার জেলেদের চাউল বিতরণ হয়েছে। সাগরে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় জেলেদের সহায়তার জন্য চাউল বিতরণ করা হয়। চাউল বিতরণের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতিসহ ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

তালিকাভুক্ত জেলেদের অভিযোগ, তাদের চাউল না দিয়ে যারা অন্য পেশায় নিয়োজিত থেকেও জেলে পরিচয় দিচ্ছেন, তাদেরকে চাউল দেওয়া হয়েছে। এতে প্রকৃত জেলেরা চাউল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

এছাড়া প্রকৃত অসহায় অসচ্ছল ছেলেদেরকেও বঞ্চিত করা হয়েছে। এমনকি প্রতিবন্ধী জেলেদেরও চাউল দেওয়া হয়নি।

অসংখ্য অসহায় অসচ্ছল এবং প্রতিবন্ধী জেলে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চাউলের জন্য দাঁড়িয়ে থেকেও কেঁদে বাড়ি ফিরেছেন।

পৌর এলাকায় ১ হাজার ১’শ ২জন তালিকাভুক্ত কার্ডধারী জেলে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮’শ ৫০ জন জেলেকে ৮০ কেজি করে চাউল দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে চাউল পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ২৫২ জন জেলে। বঞ্চিত ২৫২ জন জেলেদের অধিকাংশই তুলনামূলক বেশি অসহায় এবং অসচ্ছল। যাদের মধ্যে রয়েছেন প্রতিবন্ধী জেলেও।

তালিকাভুক্ত ছেলেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্বচ্ছল অসহায়দেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাউল দেয়ার কথা থাকলেও সেই নির্দেশনা রয়ে গেছে উপেক্ষিত।

অভিযোগ উঠেছে- ‘আগামী পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে অসহায় অসচ্ছল জেলে বাছাই প্রক্রিয়ায় ভোটের রাজনীতির প্রভাবে স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে।’

তালিকাভুক্ত জেলেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্বচ্ছল অসহায়দেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাউল দেয়ার কথা থাকলেও, সেই নির্দেশনা রয়ে গেছে উপেক্ষিত।

অভিযোগ উঠেছে- ‘আগামী পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে অসহায় অসচ্ছল জেলে বাছাই প্রক্রিয়ায় ভোটের রাজনীতির প্রভাবে স্বজনপ্রীতি করা হয়েছে।’

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকেও চাউল না পেয়ে কেঁদে বাড়ি ফেরা ২ নং ওয়ার্ডের অসহায় প্রতিবন্ধী জেলে আবুল কাশেম বলেন- ‘প্রকৃত অসহায় অসচ্ছল এবং প্রতিবন্ধী জেলেরা চাউল পায়নি। তিনি বলেন, আমি ৩৫ বছর যাবত গভীর সমুদ্রে জীবন বাজী রেখে মৎস্য আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। স্ত্রী সন্তানসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনাহার-অর্ধাহারে দিনযাপন করলেও আমাকে সরকারি চাউল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

কচ্ছপখালি ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জেলে রাসেল অভিযোগ করে বলেন- ‘এক যুগেরও বেশি সময় ধরে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করছি। কিন্তু আমাকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে সরকারি ত্রানের চাউল পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

পৌর প্রশাসক ইয়াসীন সাদেক বলেন- ‘প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না থাকায় সকল জেলেকে চাউল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী বরাদ্দ আসলে বঞ্চিতদের চাউল দেওয়ার কথা বলেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/