• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বরিশালের মিডিয়া পাড়ায় শোকের ছায়া বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই

প্লাস্টিকের পট কেটে তৈরি হেডমাস্কই ভরসা হাম আক্রান্ত শিশুদের

স্টাফ রিপোর্টার / ১২৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

দিন দিন হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে বরিশালসহ দক্ষিনাঞ্চলে। আর হাসপাতালে দেখা দিয়েছে হেডমাস্ক সংকট। আর এই সংকটে হামে আক্রান্ত শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে  প্লাস্টিকের পট কেটে তৈরি করা হেডমাস্ক দিয়ে।
বরিশাল অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসাস্থল বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল। যেখানে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হচ্ছে এবং নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে, সেখানে শিশুদের জন্য সামান্য মূল্যের অক্সিজেন মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে।
মাস্ক না থাকায় প্লাস্টিকের পট কেটে তৈরি করা ‘হেডমাস্ক’ দিয়ে হামে আক্রান্ত মুমূর্ষু শিশুদের অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের দোতলায় শিশু ওয়ার্ডের হাম আইসোলেশন ইউনিটে এমন চিত্র দেখা গেছে।

প্লাস্টিকের পট দিয়ে তৈরি এই বিকল্প পদ্ধতিতে অক্সিজেন সরবরাহ করায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকরা।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এই সংকট দীর্ঘদিনের।

শয্যা সংকটের কারণে এক বিছানায় তিন-চারজন শিশুকে রেখে চিকিৎসা দেওয়া এখানে নিয়মিত ঘটনা। এর মধ্যেই অতি প্রয়োজনীয় অক্সিজেন মাস্কের সংকটের বিষয়টি সামনে এসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের পট কেটে শিশুর মাথা ঢেকে দিয়ে ওপরের অংশে ছিদ্র করে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। পটের সামনের অংশ গামছা বা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়।

অভিভাবকদের দাবি, এই পদ্ধতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। প্লাস্টিকের পটের ধারালো অংশ বা চাপের কারণে শিশুর গলায় আঘাত লেগে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি থাকলেও সামান্য দামের মাস্ক না থাকাটা দুঃখজনক।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. মশিউল মুনীর জানান, স্থানীয় উপায়ে এভাবে অক্সিজেন দেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি স্বীকার করেন, এই পদ্ধতি নিরাপদ নয় এবং এতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১২ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় হেডমাস্কের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/