বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ১০নং আলিমাবাদ ইউনিয়নে ভিজিএফ কার্ডের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১১টার সময় ইউনিয়নের মাঝকাজী খেয়াঘাট এলাকার গোডাউন থেকে চাল বিতরণের সময় চাল কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের তোপের মুখে পরেন চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পি।
স্থানীয়রা গণমাধ্যমকে জানান, ভিজিএফ কার্ডের চাল বিতরণের শুরুতেই ৩০ কেজির পরিবর্তে ২৭কেজি ৭০০ গ্রাম করে চাল দেওয়া হয়েছে। এরপর বিষয়টি নিয়ে কার্ডধারী ও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হলে তারা আপত্তি জানান এবং চেয়ারম্যান বাপ্পির সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন। পরে চেয়ারম্যান পুনরায় চাল মেপে প্রতি কার্ডে ৩০ কেজির পরিবর্তে ২৯ কেজি করে চাল বিতরণ করেন। আলিমাবাদ ইউনিয়নের জন্য মোট ২২৩টি ভিজিএফ কার্ডের চাল বরাদ্দ ছিল এবং সেই অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হয়েছে। চাল কম থাকার বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো:রিয়াজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করেন স্থানীয়রা। পরে ইউএনও রিয়াজুর রহমানের নির্দেশে স্থানীয়দের সাথে চেয়ারম্যান বাপ্পির সমঝোতা হয়। পরবর্তীতে তার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী সমন্বয় করে ২৯ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান চেয়ারম্যান।
এছাড়া, চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পির বিরুদ্ধে প্রতি কার্ডধারীর কাছ থেকে ২০০ টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এবিষয়ে চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন বাপ্পি জানান, সঠিকভাবে চাল বিতরণ করা হয়েছে। আর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বছরে একবার ২০০ টাকা করে কার্ডধারীদের কাছ থেকে নেওয়া হয়।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড তৈরি করতেও ইউপি সদস্যদেরকে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা নিয়েও কার্ড না পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। কিছু ভুক্তভোগী দাবি করছেন যে তার নামে ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ড হয়েছে কিন্তু সেই ভিজিডি, ভিজিএফ কার্ডের চাল তিনি পায় না,জনপ্রতিনিধিরা অন্য ব্যক্তির মাধ্যমে তুলে নিচ্ছেন।
https://slotbet.online/