• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বরিশালের মিডিয়া পাড়ায় শোকের ছায়া বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই

অপারেশন সার্চলাইট প্রেক্ষাপটে বরিশাল

এম.মিরাজ হোসাইন / ৮৪ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বর্বর বাহিনী গণহত্যা শুরুর পর বীর মুক্তিযোদ্ধারা তৎকালীন পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলামের কাছ থেকে চাবি নিয়ে বরিশাল পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার ভেঙে গুলি, রাইফেল নিয়ে যান। ২৬ মার্চ মেজর এম এ জলিলকে উজিরপুরের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা হয়। সকালে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্যোগে পরিস্থিতি মোকাবিলায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক নুরুল ইসলাম মঞ্জুকে বেসামরিক প্রধান ও মেজর এম এ জলিলকে সামরিক প্রধান করে বরিশাল সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় দক্ষিণাঞ্চলীয় স্বাধীন বাংলা সরকারের সচিবালয়। এখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র ও অর্থ সরবরাহ করা হত। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, অন্তর্ভুক্তি ও ভারতে প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হতো।
মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন বরিশালের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম ফরিদ। তিনি নবম সেক্টরের বেসামরিক প্রধান নুরুল ইসলাম মঞ্জুর ছোট ভাই। নুরুল আলম ফরিদ জানান, বরিশাল নগরীর বগুড়া রোডের একটি বাসা ছিল সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের নিয়ন্ত্রণকক্ষ। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর ক্র্যাকডাউন এর পর পুলিশ লাইন থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করা হলেও পরিস্থিতি ছিল অনিশ্চিত ও বিভ্রান্তিকর। ঠিক সেই সময় একটি ছোট রেডিওতে কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা শোনেন তাঁরা। তিনি বলেন, আমি মেজর জিয়া বলছি আমরা যুদ্ধ ঘোষণা করছি। এই ঘোষণা আমাদের উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করে। তাঁর আহ্বানেই আমরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ি।
১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী বরিশালে প্রবেশ করলে এখানকার মুক্তিযোদ্ধাদের একটি দল নৌপথে ভারতে চলে যান। ভারতের হাসনাবাদে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একাধিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প গড়ে ওঠে। সেখানে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সাত-আটটি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ চলত।
নুরুল আলম ফরিদ বলেন, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধের উদ্দেশ্যে ভারতে আসতেন, তাঁদের ক্যাম্পে গ্রহণ ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণকেন্দ্রে পাঠানোর দায়িত্বে ছিলেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের স্মরণীয় ঘটনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, আগস্ট মাসে হাসনাবাদ এলাকায় বিএসএফের ক্যাপ্টেন সিফা তাঁকে ৯০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে কল্যাণীতে যাওয়ার দায়িত্ব দেন। সেখানে কল্যাণী গার্লস স্কুলে জেড ফোর্সের ক্যাম্প ছিল। ওই ক্যাম্পে মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে কল্যাণীতে পৌঁছে তাঁর সৌভাগ্য হয়েছিল মেজর জিয়াউর রহমানকে সরাসরি দেখার।
নুরুল আলম ফরিদ বলেন, ১৮ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদাররা আকাশ পথে বরিশালে প্রথমে হামলা চালায়। পরে ২৫ এপ্রিল জল, স্থল ও আকাশ পথে দ্বিতীয় দফা আক্রমণ হয়। হানাদার বাহিনী স্থলপথে বরিশাল আসার পথে গৌরনদীতে ও নৌপথে গানবোট যোগে প্রবেশের চেষ্টাকালে শহরতলী তালতলীর জুনাহারে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে। কিন্তু উভয় স্থানে ভারী অস্ত্রের সামনে পিছু হটতে বাধ্য হয় মুক্তিযোদ্ধারা। আর হানাদার বাহিনী চালায় হত্যাযজ্ঞ।
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী প্রথমে অশ্বিনী কুমার হলে অবস্থানের পর জিলা স্কুলে এবং সর্বশেষ ওয়াপদায় (বর্তমান আঞ্চলিক পানি উন্নয়ন বোর্ডের কম্পাউন্ড) তাদের হেড কোয়ার্টার গড়ে তোলে। এখানে বাংকার খুঁড়ে ভারী অস্ত্রের সমাবেশ ঘটায় তারা। এখানেই তৈরি করা হয় নির্যাতন কক্ষ। ৯ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিল ক্যাপ্টেন শাহজাহানকে বরিশাল সাব সেক্টরের দায়িত্ব দিয়ে বরিশাল পাঠান।
২৬ মার্চের পর থেকে পাকিস্তানি নৌবাহিনী ও দোসররা শহরে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হত্যা করে এবং স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে নিরস্ত্র করার চেষ্টা চালায়। ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় আক্রমণের পর বরিশাল শহরেও পাকিস্তানি বাহিনীর হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ২৬ মার্চ থেকে তারা বরিশালের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য নির্বিচারে গুলি চালায়।
পাকিস্তানি বাহিনী বরিশালের স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে পুলিশ লাইনের অস্ত্রাগার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে। ২৬ বা ২৭ মার্চ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলামের সহায়তায় অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র সরিয়ে প্রতিরোধ গড়ার পরিকল্পনা করেন।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও পুলিশ সদস্যরা শুরু থেকেই প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেছিলেন, তবে পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাধুনিক অস্ত্রের মুখে তারা পিছু হটতে বাধ্য হন।
পাকিস্তানি বাহিনীর ভয়ে মানুষ শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে আশ্রয় নিতে থাকে। শহরজুড়ে শুরু হয় ব্যাপক লুটপাট ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ। বরিশাল নদীমাতৃক হওয়ায়, পাকিস্তানি নৌবাহিনী নৌপথে দ্রুত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালিয়ে অবরুদ্ধ করে ফেলে।
যদিও ২৫ মার্চের রাতেই বরিশালে সরাসরি বড় ধরণের আক্রমণ হয়নি, তবে ২৬ মার্চ থেকে এর ভয়াবহতা তীব্রতর রূপ নেয়, যা সমগ্র বরিশালকে দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের এক রণক্ষেত্রে পরিণত করে।
বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন কম্পাউন্ডের এলাকা থেকে নদীর ঘাট পর্যন্ত প্রায় ২০ বিঘার মতো ধানের জমির পুরো এলাকাটাই ছিল বরিশালের মূল গণকবর ও বধ্যভূমি এলাকা। পাকিস্তানি বাহিনী বিভিন্ন এলাকা থেকে বাঙালিদের ধরে নিয়ে এসে এ এলাকায় হত্যা করে। পরে তাঁদের লাশ কখনো মাটিচাপা আবার কখনোবা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালে গানবোট ও হেলিকপ্টারে করে বরিশালে প্রবেশ করে। সেনাসদস্যরা বর্তমান শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উল্টো দিকের পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা কলোনি দখল করে নেয়। সেখানকার একাধিক ভবনে স্থাপন করে ক্যাম্প ও টর্চার সেল। কীর্তনখোলার তীরবর্তী এই ক্যাম্প থেকেই ঝালকাঠি, পটুয়াখালী ও ভোলায় অপারেশন চালাত পাকিস্তানি বাহিনী। ক্যাম্পসংলগ্ন কীর্তনখোলার শাখা সাগরদী খালের তীরে তিনটি বাংকার তৈরি করে বসানো হয় পাহারা। টর্চার সেলে মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ নারী-পুরুষকে ধরে এনে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে দেওয়া হতো খালে। খাল ধরে জোয়ারের সময় লাশ গিয়ে কীর্তনখোলা নদী হয়ে পাশের নদীতে পড়ত।
১৯৭১ সালে বরিশালে বর্তমান পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিসে ঘাঁটি স্থাপন করে। এখানে তারা নির্যাতনকক্ষও তৈরি করে। এখানে বহু মানুষকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করে বরিশালের গৌরনদীর পানিতে ভাসিয়ে দিত। এ রকম ১০-১৫টি লাশ লাল চাঁদ ফকির ও আরও অনেকে মিলে মাটিচাপা দেন বলে জানান। এ ছাড়া গৌরনদী কলেজের পেছনের পুকুরে তর্কি দেওয়ানের দুই ভাইকে গলা কেটে হত্যা করে পশ্চিম পাশে কবর দেওয়া হয়। আব্দুর রশীদ ভূঁইয়া নামের এক ব্যক্তি জানান, স্বাধীনতার পর এখানে ১০-১২টি মাথার খুলি পাওয়া যায়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ার রাজিহার গ্রামের কেতনারকোলায় পাঁচটি গর্তে যথাক্রমে ৮৫, ৬০, ৪৬, ৪০ ও ৩০টি লাশ পুঁতে রাখা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী বিমল পাত্র ও অন্যরা জানান। এখানে বীরেন্দ্রনাথ ঢালীর ভিটায় ৪টি ও অনিল ব্যাপারীর বাড়িতে ৪৬ জনের আরেকটি গণকবর আছে। এ গণকবরগুলোতে নারীদের লাশই বেশি ছিল।
পাকিস্তানি বাহিনী ১৯৭১ সালের ২৮ মে ক্যাপ্টেন হানিফের নেতৃত্বে বরিশালের হিন্দুপ্রধান এলাকা কলসকাঠি আক্রমণ করে। ১০০ পাকিস্তানি সেনা দুটি লঞ্চে করে এসে কলসকাঠি গ্রাম ঘিরে ফেলে এবং তারা বিভিন্ন বাড়ি থেকে কয়েক শ হিন্দুকে কলসকাঠি বন্দরে একত্র করে। এরপর শুরু করে নিরীহ বাঙালিদের হত্যা। কলসকাঠির খয়রাবাদ-ভুলাতলা নদীর পানি হয়ে ওঠে লালে লাল। ওই দিন পাকিস্তানি বাহিনী প্রায় ৮৭ জনকে হত্যা করেছিল।
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ থানার সাজেদপুর গ্রামের বদিরপুল এলাকায় ছিল বধ্যভূমি। পাকিস্তানি সেনারা এই পুলের নিচে বহু লোককে লাইনে করে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯ ডিসেম্বর এখানে শত শত নরকঙ্কাল ও মাথার খুলি দেখা গেছে।
ভোলার ওয়াপদা কলোনি ছিল পাকিস্তানিদের অন্যতম নির্যাতন কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে এমন কোনো রাত ছিল না যে ১০-১৫ জন বাঙালিকে হত্যা করা হতো। অধিকাংশকেই বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হতো। এই কলোনির রেস্টহাউস ছিল পাশবিকতার কেন্দ্রস্থল। এখানে রাতের পর রাত ক্যাপ্টেন মুনীর হোসেন এবং সুবেদার সিদ্দিক অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করেছে। ক্যাপ্টেন মুনীর লুটপাট করে টাকা ও সোনা-দানা নিজে হাতিয়ে নিয়েছে আর তার সহযোগীরা নিয়েছে অন্যান্য জিনিস। আর এ কাজে সহযোগিতা করেছে শান্তি কমিটি। ১৯৭১ সালে এখানে ১০-১২ জন মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।
পাকিস্তান সেনাবাহিনী গানবোটে করে এই গ্রামে আসে। এখানে অসংখ্য নারীকে নির্যাতন করে তারা। কয়েকজনকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। ১৯৭১ সালের ২৭ অক্টোবরে পাকিস্তান বাহিনী ঘুইঙ্গার হাটে আসে। এখানে মুক্তিযোদ্ধারা প্রশিক্ষণ নিতেন। মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিরোধ করার ফলে অনেক মানুষের জীবন বেঁচে যায়। তবুও সাতজন মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে।
নুরুল আলম ফরিদ বলেন, অপারেশন বরিশাল ছিল পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত নৌ-অভিযানের একটি কোড-নাম যা মুক্তিবাহিনী এবং পাকিস্তান প্রতিরক্ষা বাহিনীর ভিন্নমতাবলম্বীদের কাছ থেকে পূর্ব পাকিস্তানের বরিশাল শহরের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের উদ্দেশ্যে পরিচালনা হয়েছিল। এটি ছিল অপারেশন সার্চলাইটের একটি অংশ।
সার্চলাইট শুরু হওয়ার পর থেকে মুক্তিবাহিনী বড় আকারের নাশকতা মিশন শুরু করছিল, যা পূর্ব পাকিস্তানের যোগাযোগ ও সংকেত কর্মীদের বিঘ্নিত করছিল। নৌ-গোয়েন্দারা বরিশাল শহরে মুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্ন খুঁজে পায়, এবং তারপরই অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। বরিশাল সার্চলাইটের অংশ ছিল এবং প্রথমে পাকিস্তান নৌবাহিনীর গানবোট এবং নৌবাহিনীর কর্মীদের মাঠে মোতায়েন করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করেছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/