সারা দেশের মানুষ তাকিয়ে আছে সুন্দর একটি সিদ্ধান্তের জন্য। এ সিদ্ধান্তটা হতে হবে ইনসাফ বান্ধব। ইনসাফ ও ন্যায্যতার দাবি পরিপালন না হলে জটিল পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে। যা নির্বাচনে কাঙ্খিত ফলাফলের ক্ষেত্রে আদৌ সহায়ক হবেনা।
সমঝোতা বলতে যা বুঝায়, তা ই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ন্যায্যতা। ইসলামী আন্দোলন পরিচালিত হয় আদর্শকে সামনে রেখে।
সত্য ও ন্যায় নিষ্ঠা আমাদের পূঁজি। আমাদের নেতাদ্বয় স্পষ্টভাষী। গোঁজামিলের রাজনীতিতে নাই। গোঁজামিল কী তা তাঁরা বুঝেন না, জানেন না। নিজেদের মতো অন্যদেরকেও মনে করেন বিধায় একটা সঙ্কট তৈরি হয়েছে। আশাকরি এ সঙ্কট কেটে যাবে।
আমরা এখনো আশাবাদী। দেশের মানুষ যা চায়, তার সাথে ইসলামী আন্দোলন একাত্ম, এক পরান। এটাকে নস্যাৎ করা ঠিক হবেনা।
মানুষ ইসলামী শক্তির যৌথতা দেখতে চায় আগামী নির্বাচনে। একই গাঁথুনির মধ্যে থাকলেও কিছুটা দূরত্ব তৈরী হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ে। এটা কমিয়ে আনতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর পক্ষ থেকে আন্তরিক প্রয়াস চলছে।
আমাদের আমীর জটিলহীন মানুষ। কোন জটিলতা নিজে পয়দা করেননা, অন্যরা করুক তাও চান না। এতে তিনি কষ্ট পান।
জাতির বৃহত্তর স্বার্থে তিনি যারপর নাই ছাড় দিতে প্রস্তুত; স্বীয় শায়খ প্রদত্ত আদেশ-নির্দেশ পালনে মরিয়া থাকে অনুসারীরা।
আশাকরি কাউন্টার পার্ট-এর চিন্তা চেতনা ভিন্ন হবেনা। উভয় তরফে ছাড় করার মানসিকতা তৈরি হোক- মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে এটাই আমাদের কায়মনো প্রার্থনা হোক।
দোহাভাই| ০৭০১২৬
https://slotbet.online/