ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই জমে উঠেছে বরিশালের পশুর হাট। সকাল থেকেই বরিশালের বিভিন্ন পশুর হাটে দেখা গেছে ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পরা ভীর। স্থানীয় পশু ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পশু নিয়ে হাজির হয়েছে ব্যাপারীরা।
৬০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ৬লাখ টাকা দামের পশু রয়েছে হাটে। তবে ৭০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দামের পশুর বেচাকেনা সবচেয়ে বেশি।
ক্রেতারা দাবী করছেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর ১০-১২ হাজার টাকা বাড়তি দাম। তবে যারা বাজেটের মধ্যে পশু পছন্দ করতে পারছেন তারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। আর বিক্রেতারা বলছেন, বেচাকেনা ভালো। লাভের আশা করছেন তারা।
এদিকে পবিত্র ঈদ-উল-আজহা নির্বিগ্নে, শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে এবং পশুর হাটে চাঁদাবাজি প্রতিরোধে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের ৮টি জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব-৮। এজন্য হাটগুলোতে ওয়াচ টাওয়ার, পেট্রোল এবং টহল টিমসহ বিভিন্ন স্তরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে তারা।
বরিশাল র্যাব-৮ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জোবায়ের জানান, তাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, মাদারীপুরসহ আটটি জেলার কোরবানীর পশুর হাটে চাঁদাবাজি ও ক্রেতাদের ভোগান্তি রোধে কন্ট্রোলরুম এবং ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।
ড্রোনের মাধ্যমে হাট এলাকা মনিটরিং করা হচ্ছে। জালটাকা প্রতিরোধে কন্ট্রোল রুমে সনাক্তকরণের জন্য অত্যাধুনিক মেশিন স্থাপন করা হয়েছে।
প্রাণি অধিদপ্তরের তথ্য মতে, এ বছর বরিশাল বিভাগে পশুর চাহিদা রয়েছে ৪ লাখ ৭৮৩ টি। প্রাপ্যতা রয়েছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৫ টি। চাহিদার তুলনায় ৬৭ হাজার ৬৬২ টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। জেলায় চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৯ টি। প্রাপ্যতা রয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪ টি। আর উদ্বৃত্ত রয়েছে ২ হাজার ৪৬৫ টি পশু।
https://slotbet.online/