• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক! হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে গোলাম নবী আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

হাদিশূন্য বসতভিটায় চেনা-অচেনা মানুষের ভিড়

স্টাফ রিপোর্টার / ১৭১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি সাত দিন চিকিৎসাধীন থেকে মারা গেছেন। শোকে স্তব্ধ তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা। হাদিশূন্য তার বসতভিটায় ভিড় করছেন চেনা-অচেনা বহু মানুষ। মাতম চলছে হাদির শ্বশুরবাড়ি বরিশালের বাবুগঞ্জেও। শেষবার মতো দেখতে অপেক্ষার প্রহর গুনছে গ্রামবাসী।

গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে হাদিকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হাদিকে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে মারা যান তিনি

 নলছিটি পৌরসভার খাসমহল এলাকার টিনশেডের একটি সাধারণ ঘরেই ১৯৯৩ সালে জন্ম নিয়েছিলেন সৈয়দ শরিফ ওসমান হাদি। বাবা মাওলানা আবদুল হাদি ও মা তাসলিমা হাদির ঘরে ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হাদির বেড়ে ওঠা গ্রামেই। তবে এই ঘরে তিনি যেন এখন কেবল-ই ছবি। ঘাতকের গুলিতে চিরতরে বিদায় নেয়ায়, শূন্যতার কালো ছায়ায় তার জন্মভূমি।
শৈশব থেকেই হাদি ছিলেন প্রতিবাদের এক কণ্ঠস্বর। নেছারাবাদ এন এস কামিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল ও আলিম শেষ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একাডেমির পাঠ চুকান। স্বজনদের পাশাপাশি গ্রামবাসীর কাছে হাদি যেন কেবল একটি নাম নয়, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়ায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠেন। তাইতো তার মৃত্যুর ঘটনা মানতে পারছেন না কেউই। কেউ অঝোরে কাঁদছেন আবার কেউ কাঁদছেন গুমরে গুমরে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই চেনা-অচেনা বহু মানুষ ভিড় করেন হাদির ভাঙাচোরা ঘরের সামনেই। বাড়িতে থাকা হাদির বোনকে সান্ত্বনা দেবার ভাষা পাচ্ছে না আগতরা। কেউ কেউ হাদির স্মৃতি আওড়াচ্ছেন আবার কেউ জানাচ্ছেন হাদি হত্যার বিচারের দাবি।
 
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হাদির শেষ ইচ্ছে ছিল তাকে যেন তার বাবার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। তবে সে সিদ্ধান্ত এখনই চূড়ান্ত হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/