• বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দ্রব্যমূল্যের দাম কমায় সরকারের ওপর সন্তুষ্ট জনগণ -রহমাতুল্লাহ নিয়ামতি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের উপর হামলার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ মিছিল কলাপাড়ায় বিরল প্রজাতির ব্রাউন বুবক পাখি উদ্ধার নতুন সরকারের দৃশ্যমান সাফল্যে বিরোধী মহল বিচলিত: রহমাতুল্লাহ ছাত্রাবাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের সম্মানে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ইফতার বা‌কেরগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলা ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় গিয়েই জুলাই ইতিহাস ভুলে গেলেন : গোলাম পরওয়ার হানিট্রাপ ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশালে নারীসহ গ্রেপ্তার ২ সংস্কার বাস্তবায়ন না করার নানা ফন্দি আঁটছে সরকার : নাহিদ তরমুজ আবাদে রেকর্ড করেছে দক্ষিণাঞ্চল

বিষখালির ভাঙনে দিশেহারা নদীতীরের মানুষ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি / ১০০ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বিষখালি নদীর ভাঙনে কয়েকটি গ্রাম শতভাগ বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যাহত ভাঙনে উপজেলার মোল্লারহাট ইউনিয়নের রাজাবাড়িয়া, ইসলামাবাদ, বৈশাখিয়া ও হদুয়া গ্রামের বাসিন্দারা ভাঙন আতঙ্কে দিন পার করছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বর্ষায় ভাঙনের তীব্রতা আরো কয়েকগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে হদুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল হক সিকদার বলেন, ছোটবেলা থেকে নদীভাঙন দেখছি। এ পাড় ভাঙে, ওই পাড়ে চর পড়ে। এভাবে হারাতে হারাতে এখন আমরা নিঃস্ব। বসতবাড়ি, জমিজমা সব হারিয়েছি। আমাদের গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দা সরাসরি নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেকেই গ্রামের অন্যত্র ঘর তৈরি করেছেন, আবার শহরে চলে গেছেন। আমি নিজেও কয়েকবার ঘরের স্থান পরিবর্তন করেছি। তবুও ভাঙন থেকে রেহাই পাচ্ছি না।

আরেক বাসিন্দা মো. মজিদ সিকদার বলেন, পঞ্চাশ বছর আগে বাবার বাড়ি নদীতে চলে গেছে। তারপর নদীর তীর থেকে দূরে গিয়ে বাড়ি করেছিলাম। সেটাও হারিয়েছি। এখন আরো পেছনে গিয়ে কোনোমতে একটা ঘর করেছি। সেটাও এখন ভাঙনের মুখে। যে কোনো সময় নদীতে বিলিন হয়ে আবারও গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কায় আছি।

তিনি আরো জানান, কয়েকবছর আগে বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। এরপর থেকেই একটু জোয়ার এলেই নদীর তীরের বাড়িঘর ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়। ফসল তলিয়ে যাওয়ায় প্রায় বছরই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকরা। একটি বেড়িবাঁধ থাকলে কৃষকরা তাদের ফসল নিয়ে চিন্তমুক্ত থাকতে পারতেন।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, আমাদের একটি টিম ভাঙন-কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। শিগগিরই সরকারের কাছে চাহিদা পাঠাব। আর যতদ্রুত সম্ভব বাঁধ পুনরায় নির্মাণসহ ভাঙন রোধে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার চেষ্টা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/