• শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক!

দখিনে চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত থাকবে কোরবানির পশু

স্টাফ রিপোর্টার / ৬৭ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

ঈদুল আজহায় বরিশালে চাহিদার চেয়ে কোরবানিযোগ্য পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। ফলে এবার কোনো সংকট ছাড়াই স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় গতবারের চেয়েও এবার বেশি দামে কোরবানির পশু কিনতে হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। এরই মধ্যে খামারিরা আগাম কোরবানির পশু বিক্রি শুরু করেছেন।

বরিশালের এমইপি কোম্পানির অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এমইপি এগ্রোফার্মের ইনচার্জ রাফিউর রহমান বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছরের কোরবানির পশুর দাম বেশি হবে। কারণ উৎপাদন খরচ বেড়েছে।

লোকসান দিয়ে কোনো খামারি কিংবা গৃহস্থ গরু-ছাগল বিক্রি করবে না। তবে বিভিন্ন খামারি আগাম গরু বিক্রি শুরু করেছেন।
ফলে হাটের চেয়ে ক্রেতারা কিছুটা কম দামে কোরবানির পশু পাবেন।তিনি বলেন, গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধি কোরবানির পশুর দামে প্রভাব ফেলেছে। তবে ভারতীয় গরু না এলে কোরবানির বাজার স্থানীয় পশুর দখলেই থাকবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ছোটো-বড়ো ৩ হাজার ৯১৫ জন খামারির কাছে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৪৪৫টি কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে। এ বছর কোরবানিযোগ্য পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ৪ লাখ ৭৮৩টি। উদ্বৃত্ত রয়েছে ৬৭ হাজার ৬৬২টি। এর মধ্যে ষাঁড় ২ লাখ ৮৩টি, বলদ ৬৮ হাজার ২৭৮টি, মহিষ ৯৮ হাজার ৫টি, ছাগল ১ লাখ ১৯ হাজার ৮৯০টি এবং অন্যান্য রয়েছে ১৫০টি।

এর মধ্যে বরিশাল জেলায় চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৭৯টি। খামারিদের কাছে মজুত রয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৪টি। পটুয়াখালীতে চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ৮৭৪টি, খামারিদের কাছে মজুত আছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৭১৮টি। ঝালকাঠিতে চাহিদা রয়েছে ৩০ হাজার ২৮টি, খামারিদের কাছে রয়েছে ৩০ হাজার ৫৮৮টি। বরগুনায় চাহিদা রয়েছে ৩০ হাজার ১৮২টি, খামারিদের কাছে রয়েছে ৪৩ হাজার ৪২৬টি। ভোলায় চাহিদা রয়েছে ৮০ হাজার ৭৪৩টি, খামারিদের কাছে রয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ১৭টি। পিরোজপুরে চাহিদা রয়েছে ২১ হাজার ৫৭৭টি, খামারিদের কাছে রয়েছে ২৮ হাজার ৬৫২টি।

বরিশালের খামারগুলোয় বছরজুড়ে বিভিন্ন জাতের গরু লালন-পালন করা হয়। তবে বেশি দামে বিক্রির লক্ষ্য থাকে কোরবানির ঈদকে ঘিরে। তাই কোরবানি সামনে রেখে এখন খামারগুলোয় বিক্রিযোগ্য পশুর বিশেষ যত্ন নেওয়া হচ্ছে। সেখানে দেশি গরুর পাশাপাশি সাহিওয়াল, দেশাল, আরসিসি, নেপালি, ফিজিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান ও পাকিস্তানি সাহিওয়াল জাতের গরুও রয়েছে।

বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মাহফুজুল হক বলেন, একসঙ্গে অনেক পশু পালনের পাশাপাশি বাড়িতে ছোটো আকারে একটি-দুটি গরু কিংবা ছাগল পালন করেন অনেকে। হিসাব অনুযায়ী কোরবানির চাহিদার চেয়ে ছয় জেলায় ৬৫ হাজার ২৯৬টি কোরবানিযোগ্য পশু বেশি থাকবে। এতে বিদেশি গরুর প্রয়োজন হবে না বলে আশা করছি।

বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে গো-খাদ্য আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি এবং জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে পরিবহন খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব কোরবানির পশুর ওপর কিছুটা পড়বে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, কোরবানিকে সামনে রেখে হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিক বা কৃত্রিম কোনো উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণ বন্ধে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার খামারগুলোতে নজরদারি অব্যাহত রেখেছেন। পাশাপাশি খুরা ও লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত পশু যাতে হাটে আনা না হয়, সে জন্য পশু চিকিৎসকসহ মনিটরিং টিম কাজ করবে। এ লক্ষে বিভাগের স্থানীয় ও আঞ্চলিক ৩০৬টি হাটে ১২০টি ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কোরবানিযোগ্য পশুর সুস্থতা পরীক্ষা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/