• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বরিশালের মিডিয়া পাড়ায় শোকের ছায়া বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই

ঈদের ছুটিতেও বন্ধ হয়নি মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা, বরিশালে ৭ দিনে সেবা নিয়েছেন ২,৫৩০ জন

স্টাফ রিপোর্টার / ৮৪ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ৭ দিনের সরকারি ছুটির মধ্যেও বরিশাল জেলায় মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান অব্যাহত রাখা হয়।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বানারীপাড়া ও মুলাদী—এই ১০টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মোট ৫৪টি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র খোলা রেখে সেবা প্রদান করা হয়েছে। ঈদের ছুটির এই সময়ে এসব কেন্দ্র থেকে মোট ২,৫৩০ জন সেবাগ্রহীতা চিকিৎসা নিয়েছেন।
সূত্র জানায়, ছুটির এই ৭ দিনে প্রায় ১০টি স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি) সম্পন্ন হয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রে।
বিশেষ করে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মীরা সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৮ মার্চ দাড়িয়াল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে একটি এবং ১৯ মার্চ কাকরধা ১০ শয্যা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে আরেকটি স্বাভাবিক প্রসব সফলভাবে সম্পন্ন হয়।


দাড়িয়াল ইউনিয়নের মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা গর্ভবতী সেফালি বেগম জানান, “ঈদের দিন বিকেলে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ি। কেন্দ্রে এসে দেখি খোলা আছে। এখানকার আপারা আমাকে দ্রুত চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন।”
এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মেহবুব মোর্শেদ লিটু বলেন, “ঈদের ছুটির মধ্যেও আমাদের অধীনস্থ সকল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র চালু ছিল। চিকিৎসক ও জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও কোথাও সেবা ব্যাহত হয়নি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি সেবা অব্যাহত রাখতে।”
ঈদের মতো দীর্ঘ ছুটিতেও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সচল রাখার এই উদ্যোগকে স্থানীয়রা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে এ ধরনের পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/