• বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক! হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে গোলাম নবী আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা: ৪৯ ঘণ্টা পর মিলল নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ

দর্পণ ডেস্ক / ৯২ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬

ঢাকার সদরঘাট এলাকায় দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নদীতে পড়ে যাওয়া নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের মরদেহ ৪৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ সময় নিখোঁজ থাকার পর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাণীগঞ্জ এলাকার লবণের মিল সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীর একটি অংশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বরিশাল পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করে।
ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধার করা মরদেহটি পরে নিহতের স্বজনরা শনাক্ত করেছেন। বর্তমানে মরদেহটি মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় এরই মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন মিরাজ ফকিরের ছেলে সোহেল ফকির (২২)। এছাড়া রুবেল ফকির (২০) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় নিহত সোহেল ফকিরের চাচা ও নিখোঁজ মিরাজ ফকিরের বড় ভাই সিরাজ ফকির বাদী হয়ে রাণীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিদের ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা সংশ্লিষ্ট দুই লঞ্চের স্টাফ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কার্যক্রম চলছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সদরঘাট এলাকায় ঢাকা–ইশা রুটের ‘আসা-যাওয়া-৫’ লঞ্চে ট্রলার দিয়ে যাত্রী ওঠানো হচ্ছিল। এ সময় ‘জাকির সম্রাট-৩’ নামে আরেকটি লঞ্চ এসে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার ফলে এক যাত্রী চাপা পড়ে এবং রুবেল ফকির নদীতে পড়ে যান। একই সময় ধাক্কাধাক্কির মধ্যে পড়ে নিখোঁজ হন মিরাজ ফকির।
দুর্ঘটনার পরপরই নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। টানা অনুসন্ধানের পর অবশেষে ৪৯ ঘণ্টা পর মিরাজ ফকিরের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/