• শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
বিএম কলেজের উপাধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ পাওয়া আবুল কালাম আজাদের পদায়ন আদেশ বাতিল। জাতীয় ছাত্রশক্তি বরিশাল সদর থানা শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন সাংবাদিক এম.মিরাজ হোসাইনের স্মরণে বরিশাল প্রেস ক্লাবে আলোচনা ও দোয়া সাংবাদিক এম মিরাজের মৃত্যুতে বরিশালের মিডিয়া পাড়ায় শোকের ছায়া বিএম কলেজে শায়েখে চরমোনাই জুলাই শহীদের স্মৃতিচারণ ও দোয়া অনুষ্ঠিত বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা’র মৃত্যুর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার / ১৯৬ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর প্রতীক, অবসরপ্রাপ্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট রত্তন আলী শরিফ (৮২) মারা গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাসপাতালের পঞ্চম তলার ৫০০৩ নম্বর কেবিনে তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে শেবাচিম হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই রোগীর অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। বারবার কর্তব্যরত চিকিৎসককে ডাকতে গেলেও তারা কেবিনে যেতে রাজি হননি। শনিবার বিকেলে রত্তন আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক অবস্থায় একজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক সেবা দিলেও পরে আর যথাযথ চিকিৎসা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।
মৃতের মেয়ে তানজিলা আকতার ইমু জানান, “বাবার ডায়াবেটিক ও রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ায় অচেতন হয়ে পড়েন। দুপুর থেকে তার অক্সিজেন লেভেলও কমে যাচ্ছিল। আমি বারবার ডাক্তারকে ডাকতে গেলে তারা কেবিনে আসতে অনীহা দেখান। বলেন—‘ওয়ার্ডে নিয়ে আসুন, না হলে প্রাইভেট ক্লিনিকে যান।’ বাবার অবস্থা আরও খারাপ হলে আবার ডাকতে যাই, সেবারও যেতে চাননি। পরে আমার বোন সিনিয়র সচিবকে ফোনে পরিস্থিতি জানালে ডাক্তার কেবিনে আসেন, কিন্তু তখনই আমরা দেখি বাবা আর বেঁচে নেই।”
মৃতের ছেলে শহিদুল ইসলাম জানান, “দেশের জন্য যুদ্ধ করা একজন বীর প্রতীক বিনা চিকিৎসায় মারা গেলেন। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ ঘটনার পরপরই মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মাহাবুবুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বলেন, “রোগীকে আমার তত্ত্বাবধানে কেবিনে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসা অবহেলা হয়েছে কি না—তদন্ত রিপোর্ট পেলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/