বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঢাকা কার্যালয়ে হাম, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, ডেঙ্গু ও ডায়রিয়াবিষয়ক নিয়মিত সাপ্তাহিক (৮–১৪ জুন) বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বরিশাল ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে বেশি দেখা যাচ্ছে।
পাশাপাশি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের দেওয়া তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এ বছর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগে ১ হাজার ৬০১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৪৩, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৫৬, খুলনা বিভাগে ৪৯০, রাজশাহী বিভাগে ১৭০, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৩৮ এবং সিলেট বিভাগে ৫৩। রোগী সবচেয়ে কম রংপুর বিভাগে। এই বিভাগে এ পর্যন্ত ২৯ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
বরিশাল বিভাগের ছয় জেলাতেই ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে। গত বছর এই বিভাগের বরগুনা জেলায় ব্যাপকভাবে ডেঙ্গু দেখা দিয়েছিল। সরকারি হিসাবে, গত বছর বরগুনা জেলার ৯ হাজার ৫৩৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন আর মারা গিয়েছিলেন ১৫ জন।
বরিশালের জেলাগুলোতে কেন ডেঙ্গু বেশি, এমন প্রশ্নের উত্তরে মশাবিশেষজ্ঞ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, মশা ও মশা বৃদ্ধির উপযুক্ত পরিবেশ, ভাইরাস এবং মানুষ এই তিন বিষয়ের সংযোগ ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটায়। ধারণা করা যায় যে বরিশালে এটা ঘটছে। যদি মশা নিধন করা যায় বা মশার বংশবিস্তার রোধ করা যায় অথবা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত মানুষকে পুরোপুরি আইসোলেশন করে রাখা যায়, তাহলে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। শুধু বরিশালে নয়, যেকোনো এলাকায়।
https://slotbet.online/