• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক! হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে গোলাম নবী আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

কেএমসি হাসপাতাল: রোগীর মৃত্যু ঘিরে হাতাহাতি

স্টাফ রিপোর্টার / ৫০ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

বরিশাল নগরে কেএমসি নামক একটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সঙ্গে মৃতের স্বজনদের হাতাহাতি হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জুন) বিকেল ৪টার দিকে নগরের বাজার রোডে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।

মারা যাওয়া মনির খান (৩৮) জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার উত্তর বাহেরচর গ্রামের আব্দুল হক খানের ছেলে। বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ের নিউরোলজি বিভাগের প্রধান অভিতাভ সরকার কেএমসি হাসপাতালের মালিক বলে জানা গেছে।

নিহত ব্যক্তির ‎স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হলে অসুস্থ অবস্থায় মনির খানকে বুধবার দুপুরে কেএমসি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে মনির মারা যান। এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা প্রতিবাদ করলে চিকিৎসক ও কর্মচারীরা স্বজনদের মারধর করেন।

স্বজনদের প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা পিছু হটেন। তখন স্বজনেরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।

‎‎প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনির খানের মৃত্যুতে স্বজনেরা উত্তেজিত হন। চিকিৎসকদের সঙ্গে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এতে হাসপাতাল এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

মৃত ব্যক্তির স্বজন আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, তিনি শুরুতে ঘটনাস্থলে ছিলেন না। স্বজনেরা অভিযোগ করেছেন, গুরুতর অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার পরও চিকিৎসক গুরুত্ব দেননি। এমনকি মৃত্যু হয়েছে এটা জানানো হয়নি। এর প্রতিবাদ করায় স্বজনদের ওপর চিকিৎসক ও কর্মচারীরা হামলা করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো বক্তব্য দেয়নি।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, কেএমসি হাসপাতালে ঝামেলার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। পরে পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষ ভুল স্বীকার করলে সমঝোতা হয় এবং মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/