রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় বিচার শুরু হয়েছে। প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল। সাক্ষ্য গ্রহণের সময় ধার্য হয়েছে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায়। আজ দুই আসামির উপস্থিতির মধ্য দিয়ে রামিসা হত্যার মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।
ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন। এর আগে মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়।
সকাল পৌনে আটটার দিকে প্রিজন ভ্যানে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়। বেলা ১১টার কিছু আগে পুলিশের কড়া পাহারায় সোহেল রানাকে আদালতে হাজির করা হয়। এক মিনিট দশেক পর হাজির করা হয় স্বপ্নাকে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, সোহেল রানার বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যা এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর হত্যায় সহায়তা করার অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ মামলায় ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
গত ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্লবীর একটি ভবনের তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা ওই ফ্ল্যাটের শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তার স্ত্রী স্বপ্নাকে আটক করা হয়। ওই দিনই সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়।
একই দিন মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। অন্যদিকে আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তদন্ত শেষে ২৪ মে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। একই দিন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।
https://slotbet.online/