‘মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না।’
‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হইলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।‘
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশে ইসির নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেছেন, ‘এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেয়া যায়।‘
আজ সোমবার সকালে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভ্যারিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা লিখেছেন।
পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এমনকি কোনো মোজো সাংবাদিক বা সিটিজেন জার্নালিজমও এলাউড না। এটা স্পষ্টত হঠকারী সিদ্ধান্ত। ইঞ্জিনিয়ারিং বা জালিয়াতি করার ইচ্ছে থাকলেই কেবল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।‘
এ সিদ্ধান্তে ভোটারদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিতে পারে আশঙ্কা করে কুমিল্লা-৪ আসনের এই প্রার্থী বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিয়ে না যাওয়ার কোনো লজিক নেই। এমনটা আগে কখনো দেখিনি। এটার মানে কোনো বিপদ হইলেও কল করে কাউকে জানানো যাবে না। অনেকে নিরাপত্তাহীনতার জন্য মোবাইল নিতে না পারলে ভোট দিতেও যাবে না।‘
অনিয়ম বা জালিয়াতির চিত্র প্রচারে এ সিদ্ধান্ত প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিক কোনো কাজে দিবে না। মোবাইলের মাধ্যমে সাংবাদিকরা যেভাবে ভূমিকা রাখতে পারবে, অনিয়ম জালিয়াতির চিত্র দেখাতে পারবে তা ক্যামেরা পারবে না। কেন্দ্র দখল-ভোট চুরি ঠেকাতে ব্যক্তিগত ফোন কার্যকর হবে। সাথে সাথেই ভিডিও রেকর্ড হয়ে যাবে। হয়ত এসব জালিয়াতির ভিডিও কেউ করতে না পারে সে জন্য ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন। এটা সুস্পষ্টভাবে ভোট চু/রির সুযোগ করে দেয়া।‘
অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত বলেও ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
https://slotbet.online/