জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছেন—মহান মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর ৯-এর সেক্টর কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সচিবালয় মন্ত্রিসভা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
মহান মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছাড়াও মেজর এম এ জলিল স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতাসহ কয়েকটি গ্রন্থ রচনা করেন মেজর জলিল। ১৯৪২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার উজিরপুরে তাঁর জন্ম। ১৯৮৯ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি মারা যান।
এবার স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদানের জন্য সাবেক খালেদা জিয়াকেও মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ (মুক্তিযুদ্ধ), অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসা বিদ্যা), প্রয়াত ড. আশরাফ সিদ্দিকী (সাহিত্য), এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) (সংস্কৃতি), প্রয়াত বশির আহমেদ (সংস্কৃতি), জোবেরা রহমান লিনুকে (পল্লী উন্নয়ন) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
সমাজসেবা/জনকল্যাণের জন্য প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী (সমাজসেবা/জনকল্যাণ), এসওএস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) এ পুরস্কার পাচ্ছেন।
জনপ্রশাসনে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)।
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী পিএইচডি, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
পল্লী উন্নয়নে অবদান রাখার জন্য পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) স্বাধীনতা পুরস্কার পাবে।
https://slotbet.online/