নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি এ সময় নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না
গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান সংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় অননুমোদিত ব্যক্তিদের অবস্থান নিষিদ্ধ থাকবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়, ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যক্তি, নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার বাসিন্দা বা ভোটার ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি এ সময় নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করতে পারবেন না।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের পরিবেশ প্রভাবমুক্ত রাখা ও যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ কমিশনার (মেট্রোপলিটন পুলিশ), জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটকেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বহিরাগত প্রভাব ঠেকাতেই এ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।
https://slotbet.online/