ক্ষমতার বৈষম্য দূর করতে ইসলামকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারি মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের।
আজ শুক্রবার, বাদ জুমা কাজিরহাট থানার আন্দারমানি ইউনিয়নের জনগণের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, দেশে স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে রাজনৈতিক ক্ষমতার চরম বৈষম্য বিদ্যমান।
কোনো দল ক্ষমতায় গেলে বিরোধী দলের নেতারা ঘরে ঘুমাতে পারে না, তাদেরকে খুন- ঘুম মিথ্যা মামলাসহ নানাভাবে হয়রানি করা হয়। এমনও ঘটনা ঘটেছে যে, ক্ষমতাসীন দলের হয়রানির ভয়ে ভাঙ্গা কবরের মধ্যে আশ্রয় নিতে হয়েছে। অতএব এই ক্ষমতার রাজনীতি কোন সভ্য মানুষের রাজনীতি হতে পারে না। আমি বলবো দেশের রাজনীতি বিষাক্তনীতিতে – কুলসিত নীতিতে পরিণত হয়েছে। এটাই আমাদের দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা।
তিনি আরো বলেন, একটি দল মাত্র ৩০ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে, অথচ বাকি ৭০ শতাংশ জনগণ নানা ভাবে বঞ্চিত থাকে। তারা রাষ্টের কর প্রদান করার পরও মানুষের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা কখনোই ন্যায়সঙ্গত নয়।
সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের আরও বলেন, এই বৈষম্যমূলক রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন করা জরুরি।
ন্যায়বিচার, ইনসাফ ও সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই। দেশের আপামর জনসাধারণকে আগামী ত্রয়ো দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে ইসলামী দলকে সমর্থনের মাধ্যমে ক্ষমতার বৈষম্য দূর করতে ইসলামকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনতে হবে।
https://slotbet.online/