• মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বরিশাল জামেয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা ওবায়দুর রহমান মাহবুব (দাঃবাঃ) অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সু-খবর পেলেন ছাত্রদলের সাবেক দুই নেতা বরিশালে হাম পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ, শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে ট্রলার ডুবি, উদ্ধার ১০ জেলে মেহেন্দিগঞ্জে উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে হারিকেন মিছিল বরিশালে বোমা বিস্ফোরণে দগ্ধ হনুফা বেগম মারা গেছেন ৩৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জন কে বাছাই, এসএসসিতে ফেল সবাই বরিশাল আদালত চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক! হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে গোলাম নবী আলমগীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শখের খামারে পাঁচ বছরে ২১ হরিণ, উদ্যোগে সফলতা

স্টাফ রিপোর্টার / ৮৬ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

সুন্দরবন নয়—বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের শিয়ালঘুনী গ্রামেই সহজে দেখা মিলছে হরিণের ঝাঁক। শখের বসে সরকারি অনুমোদন নিয়ে ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম আজাদ ২০২০ সালে মাত্র ছয়টি চিত্রা হরিণ দিয়ে এই খামারটি গড়ে তোলেন। পাঁচ বছরে কোনো হরিণ বিক্রি না করেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১টি। বাড়ছে খামারের বিস্তৃতিও।

বিশেষ নিরাপত্তায় পরিচালিত খামারটিতে হরিণ পরিচর্যার দায়িত্বে রয়েছেন দুইজন কর্মী। তাদের আন্তরিক যত্নের কারণেই মানুষ কাছে গেলেও বনের হরিণের মতো ছোটাছুটি করে না খামারের হরিণগুলো।

পরিচর্যাকারীরা জানান, প্রতিদিন নিয়ম করে ঘাস, বিভিন্ন ডাল ও পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া হয় হরিণগুলোকে। বর্তমানে খামারের ২১টি হরিণের মধ্যে ৬টি পুরুষ এবং ১০টি হরিণ শিগগিরই বাচ্চা প্রসব করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খামারের পাশে বিভিন্ন ধরনের ঘাস চাষ করা হয়, যা হরিণদের প্রধান খাদ্য। পাশাপাশি উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের চিকিৎসকরা নিয়মিত এসে হরিণগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।

খামার মালিকের স্বজন আবু বকর জানান, বন বিভাগের কর্মকর্তারাও নিয়মিত খামার পরিদর্শন করেন। হরিণের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি খামারের জমি বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান আবু বকর।

খামার মালিক মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, হরিণ লালন-পালন তুলনামূলকভাবে কম খরচে সম্ভব হলেও বাজারে এর চাহিদা ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা অনেক বেশি। উদ্যোগটি সফল হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বিরল প্রজাতির হরিণ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখবে।

তবে খামার পরিচালনায় কিছু জটিলতা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিন মাস পরপর বন বিভাগ পরিদর্শনে আসে। সব তথ্য দেখাতে হয়। বাচ্চা প্রসবের ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি জানাতে হয়। হরিণ বিক্রি বা দান করতে হলেও আগাম অনুমতি নিতে হয়।

এদিকে এলাকাবাসীর মধ্যেও এই হরিণ খামার নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকে এসে হরিণ দেখে নিজেদের মুগ্ধতার কথা জানান।

বাকেরগঞ্জের বন কর্মকর্তা মনীন্দ্র নাথ হালদার বলেন, সরকারের নিয়ম মেনে খামারটি করা হয়েছে। বাণিজ্যিকভাবে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বাড়লে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/