শীতে রোদ পোহানোর অভ্যাস আরামদায়ক। এ অভ্যাস ভিটামিন ডি’র প্রাকৃতিক উৎস পেতেও দারুণ কাজ করে। তাই এ ঋতুতে নির্দিষ্ট সময়ে রোদ পোহানোর অভ্যাস শুরু করতে পারেন। তবে তার আগে আপনার জানা প্রয়োজন কখন এবং কতক্ষণ শরীরে রোদ লাগানো প্রয়োজন তার সঠিক তথ্য।
চিকিৎসকরা বলছেন, শরীর সুস্বাস্থ্য নির্ভর করে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি পূরণের মাধ্যমে। ভিটামিন ডি’র ঘাটতি পূরণ হয় দুইভাবে। একটি খাবারের মাধ্যমে অন্যটি সূর্যস্নানের মাধ্যমে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাবারের মাধ্যমে ভিটামিন ডি’র ঘাটতি পূরণ করা যায় মাত্র ৩০ ভাগ। আর শরীরের প্রায় ৭০ ভাগ ভিটামিন ডি’র চাহিদাই পূরণ সম্ভব সূর্যস্নানের মাধ্যমে। তাই সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিয়মিত সূর্যস্নান জরুরি। কিন্তু ঠিক কোন সময়ে সূর্যস্নান বেশি ফলদায়ক জানেন?
সেরা সময়
মূলত রোদের সংস্পর্শে আসার পর ত্বকে থাকা কোলেস্টেরল দিয়ে তৈরি হয় ভিটামিন ডি। আর এ ম্যাজিক ঘটার সেরা সময় হলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা।
সেরা সময় উপলব্ধি করার একটি বিশেষ কৌশলও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সূর্যের আলোতে দাঁড়ালে ছায়া যদি আপনার তুলনায় ছোট হয় সে সময়ের রোদে ত্বক সবচেয়ে ভালো ভিটামিন ডি উৎপন্ন করতে পারে। এ হিসেবে সূর্যের ছায়ায় দাঁড়ানোর পর লম্বা ছায়া দেখলে বুঝবেন এ অবস্থায় ত্বক ভিটামিন ডি উৎপন্ন করতে পারবে না।
কতক্ষণ সূর্যের আলোতে দাঁড়ানো জরুরি
পোশাক বা সানস্ক্রিন ত্বকে ভিটামিন ডি তৈরিতে বাধা দেয়। তাই চেষ্টা করুন ঢেলেঢালা পোশাকে সানস্ক্রিন ছাড়া সূর্যের আলো শরীরে লাগাতে। আর এজন্য অন্তত ২০ মিনিট সূর্যের আলোতে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি থাকলে তা পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম তৈরিতে কাজ করে। যা শরীরে গঠন, ক্লান্তি ও অবসাদ দূর করতে সহায়ক। তাই ভিটামিন ডি-কে‘সানশাইন ভিটামিন’ও বলা হয়ে থাকে।
এ রকম আরো সংবাদ...