ডিউটিরত অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে সিটিস্ক্যান মেশিনের ওপর শুয়ে টেকনিশিয়ানের বিশ্রামের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
একইসঙ্গে অভিযুক্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (রেডিওগ্রাফি) মো. ইসমাইল হোসেনের সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর তদন্ত কমিটি গঠন ও কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেন।
হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু জাকারিয়া খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গঠিত তদন্ত কমিটিতে শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মুঈন উদ্দিন তালুকদারকে সভাপতি, রেডিওলজিস্ট ডা. বিপ্লব মন্ডলকে সদস্য এবং প্যাথলজি বিভাগের ইনচার্জ ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মো. মাঈদুল ইসলামকে সদস্যসচিব করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে মো. আব্দুল হামিদ নামের এক ভুক্তভোগী তার বাবার চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়ে চরম ভোগান্তি ও দায়িত্বহীনতার মুখোমুখি হন। নিজের বাবার বুকের সিটিস্ক্যান করাতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, দায়িত্বরত কর্মী সিটিস্ক্যান মেশিনের ওপর শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং তিনি বুকের সিটিস্ক্যান করতে পারেন না বলে অজুহাত দিচ্ছেন।
আব্দুল হামিদ ওইদিন বিকেল ৪টা ৪১ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এ ঘটনার একটি ভিডিও পোস্ট করে দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের প্রতিবাদ জানান। ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ সেবাগ্রহীতা ও নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পরদিন সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে ওই রোগীর বুকের সিটিস্ক্যান সম্পন্ন করে।
সরকারি হাসপাতালে রোগীদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিতে কর্মচারীদের যথাযথ দায়িত্ব পালন ও কোনো গাফিলতি হলে অবিলম্বে কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।
https://slotbet.online/