• রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন

কলেজছাত্রের উপর হামলায় ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার / ১১ পড়া হয়েছে
প্রকাশিত : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকায় কলেজছাত্র দ্বীন ইসলাম খান মুন্নাকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার প্রায় একমাস পর হামলায় ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস এলাকায় অভিযুক্ত মিলনের ভাড়া করা দোকানে অভিযান চালিয়ে একটি চাপাতি, ধারালো চাকু ও লোহার রড উদ্ধার করা হয়।

কিন্তু প্রকাশ্যে এভাবে একজন ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হলেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একমাসেও আসামীদের ধরতে না পারায় স্থানীয়রা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত মিলনের দোকানটি তালাবদ্ধ ছিল। দীর্ঘ সময় ধরে দোকানটি বন্ধ রাখলেও এ ঘটনায় জড়িত কোনো আসামিকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ, যা নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে।

দোকানের ভেতর থেকে অস্ত্র এনে প্রকাশ্যেই মুন্নার ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তার একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এম. রবি আহসান বলেন, “ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে। উদ্ধার করা অস্ত্র আদালতে পাঠানো হবে।

জানা গেছে, নির্মাণাধীন বাড়ির জন্য আনা বালু সুপারি গাছের নিচে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধ মীমাংসা হলেও পরদিন সকালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মুন্নার ওপর হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

আহত মুন্নার বাবা লিটন খান জানান, আগের রাতেই বিরোধের নিষ্পত্তি হয়েছিল। কিন্তু পরদিন সকালে নলিদাস পোল এলাকায় কাজের উদ্দেশ্যে গেলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তার ছেলেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। মুন্না সরকারী সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের ডিগ্রি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী।

তিনি অভিযোগ করেন, হামলায় একই এলাকার মিলন খান, কালাম খান, রানা খান, হিমেল হাওলাদার ও নার্গিস বেগমসহ কয়েকজন অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের নলিদাস পোল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় মুন্নাকে প্রথমে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ব্যাপারে কোতয়ালী থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন-আসামীদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ রকম আরো সংবাদ...
https://slotbet.online/